Slider

Theme images by kelvinjay. Powered by Blogger.

ভিডিও

রাজ্য

দেশ

খেলা

বিনোদন

আন্তর্জাতিক

ফটো গ্যালারি

» » কোন্নগড়ে সিভিক ভলান্টিয়ারের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ, অভিযুক্তের পাশে ধর্ষিতার পরিবার

 ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করল এক যুবতি প্রাক্তন প্রেমিকের বিরুদ্ধে । অভিযুক্ত    সিভিক ভলান্টিয়ার কোন্নগর কানাইপুর ফাঁড়িরতে  কর্মরত।যদিও যুবতির পরিবার অভিযুক্তের   সমর্থন করেছেন । পরিবারের বক্তব্য, কানাইপুর ফাঁড়ির এক কনস্টেবলের কথা শুনে নিরীহ একজনকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে তাদের মেয়ে। ঐ কনস্টেবলের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ জানিয়েছে যুবতির পরিবার। কনস্টেবল অবশ্য জানিয়েছে, তার সঙ্গে ওই যুবতির কোনও সম্পর্কই নেই। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
 কোন্নগরের কানাইপুরের বাসিন্দা ও যুবতী নার্সিং ট্রেনিং শেষ করে বর্তমানে চাকরির খোঁজ করছে। প্রায় ৬ বছর এক যুবকের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল তার। যুবকের বাড়িও কানাইপুরে। সে পেশায় সিভিক ভলান্টিয়ার। দুই পরিবারও সম্পর্কের কথা জানত। কিন্তু, কয়েকমাস আগে থেকে দু’জনের সম্পর্কে ফাটল ধরে। বন্ধ হয়ে যায় মেলামেশা। যুবতীর অভিযোগ, যুবকটি অন্য এক মেয়ের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। তাই, তাদের সম্পর্কে ফাটল ধরে। কিন্তু, তার পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ,  কানাইপুর ফাঁড়ির এক কনস্টেবলের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছে তাদের মেয়ে। চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে সুমনাকে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতেও নিয়ে গেছে সে।  স্ত্রী, সন্তান থাকা সত্ত্বেও আমাদের মেয়ের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলেছে। যা কোনওভাবেই মেনে নিতে পারছে না পরিবার। তাই, কিছুদিন আগেও  পরিবারের সদস্যরা  অভিযুক্ত কনস্টেবলের বিরুদ্ধে কানাইপুর ফাঁড়িতে অভিযোগ দায়ের করে।
রবিবার তার প্রাক্তন প্রেমিক ও মেসোমশাইয়ের বিরুদ্ধে উত্তরপাড়া থানায় ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করে ঐ যুবতী। যুবতীর অভিযোগ,  সিভিক ভলেন্টিয়ার তার প্রেমিক  বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস করেছে। সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর একান্ত মুহূর্তের ছবি ফেসবুকে আপলোড করেছে। পরে আবার সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার জন্য জোর-জবরদস্তি করছে। যা তার পক্ষে সম্ভব নয়। সিভিক ভলেন্টিয়ার তার প্রেমিক সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে। তার দাবি, সে-ই  কনস্টেবল এর সাথে তার প্রেমিকার পরিচয় করিয়ে দিয়েছিল। এরপর দু’জনে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। তাই, সে তার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে। গোটা বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকেও জানিয়েছিল। কিন্তু, তারা কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। যুবতীর মেসোমশাইয়ের কথায়, তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। কনস্টেবলের সঙ্গে সম্পর্কে বিরোধিতা করায় তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনা হচ্ছে।
এদিকে,  সোমবার ফের কানাইপুর ফাঁড়িতে কনস্টেবলের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাতে যায়  যুবতীর পরিবার। অভিযুক্ত কনস্টেবল দাবি করে, “ওই যুবতি কি আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনছে ? তারপর তো আমি অপরাধী হব। আমি ওকে ভালো করে চিনি না।  সিভিক ভলেন্টিয়ারের সূত্রেই পরিচয়। রাস্তায় দেখলে হাই, হ্যালো হয়।” সুমনার মায়ের চোখে অবশ্য   কনস্টেবলই দোষী। তাঁর কথায়, “সবকিছুর মূলে ওই কনস্টেবল। মেয়ে বলেছিল, সিভিক ভলেন্টিয়ার তার প্রেমিকের  সঙ্গে ঝামেলা হয়েছে। তা বলে সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার কারণ নেই। ছেলেটা খুব ভালো। আর ওই কনস্টেবল আমার মেয়েকে চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে অনেক জায়গায় ঘুরতে নিয়ে গেছে। একদিন আমার মেয়ে মদ খেয়ে ফিরেছিল। পরে ওর বাবা জানতে পারে, মেয়ে  কনস্টেবলের সঙ্গে ছিল। মেয়ের প্রেমিক কিন্তু এরকম ছিল না। ওর সঙ্গে মেয়ের বিয়ের ঠিকও হয়েছিল। রবিবার শুনলাম আমার মেয়ে তার প্রেমিকের বিরুদ্ধে  পুলিশ ফাঁড়িতে অভিযোগ জানাতে গিয়েছিল। সেখান থেকে উত্তরপাড়া থানায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়। ওখানেই অভিযোগ দায়ের করেছে। আমরাও চাই প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসুক। তবে, আবারও বলছি, সব ঘটনার মূলে ঐ কনস্টেবল। আমি বুঝতে পারছি না কেন আমার মেয়ে কিছু বুঝতে চাইছে না। ” যুবতীর অভিযোগের ভিত্তিতে
ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে উত্তরপাড়া থানার পুলিশ।

«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post