Slider

Theme images by kelvinjay. Powered by Blogger.

ভিডিও

রাজ্য

দেশ

খেলা

বিনোদন

আন্তর্জাতিক

ফটো গ্যালারি

» » » তৃণমূলের প্রার্থী বাছাই নিয়ে বিক্ষোভ দলীয় কর্মীদের


প্রদীপ সাঁতরা -পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থী বাছাইয়ে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ এ বিক্ষোভ দেখাল তৃণমূল কর্মীদের একাংশ। চুঁচুড়ায় কোরকমিটির বৈঠক চলাকালীন এই ঘটনা ঘটে।পঞ্চায়েত নির্বাচনে প্রার্থী নির্বাচন কে কেন্দ্র করে তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ কোন্দল আবারো এই ঘটনার মধ্যে দিয়ে প্রকাশ্যে এলো। সোমবার চুঁচুড়ায় একটি বেসরকারি লজে আয়োজিত দলীয় বৈঠক চলাকালীন লজের বাইরে আছড়ে পড়ে দলীয় কর্মী সমর্থকদের বিক্ষোভ। দলীয় প্রতিক বিলি নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে চুঁচুড়ার বিধায়ক অসিত মজুমদারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে সামিল হয় কয়েকশ তৃণমূল কর্মী সমর্থক। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ নির্বাচনে প্রার্থিপদ বিলি নিয়ে কোদালিয়া ২ নং পঞ্চায়েতের প্রধান কৃষ্ণা দাসের পরিবারকে বিশেষভাবে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। পঞ্চায়েতের উপপ্রধান তুষার সমাদ্দারের অভিযোগ সম্প্রতি ল্যাম্প পোস্টে নীল সাদা টুনি বাল্ব লাগানো নিয়ে দুর্নীতি প্রকাশ্যে আসে। সৌন্দর্যায়নের নামে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে।একই অভিযোগ পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য ধনঞ্জয় চক্রবর্তীর। তিনি অভিযোগ করেন এই দুর্নীতির সঙ্গে প্রত্যক্ষ যোগ রয়েছে বিধায়ক অসিত মজুমদারের। সেই ঘটনার প্রতিবাদ করাতেই বিধায়কের কু নজরে পড়েছে দলের অনেকেই। প্রধানের পরিবারে তিন জনকে প্রার্থী করার তোড়জোড় শুরু হয়েছে। প্রধানের স্বামী দিলীপ দাস সহ তার বউমা কেও প্রার্থী করার চেষ্টা হচ্ছে। অথচ যারা দীর্ঘ দিন ধরে দল করছে তাদের বাদ দেওয়া হয়েছে। বাস্তবে এমন হলে তারা নির্দল প্রার্থী হয়ে ভোটে লড়াই করবেন। কর্মী জয়ন্ত দাসের দাবি বুথ স্তরে বৈঠক করে সর্বসম্মত ভাবে প্রার্থী স্থির করা হোক। বিধায়কের এহেন তুঘলকি আচরণ বরদাস্ত করা হবেনা।এদিন পঞ্চায়েত নির্বাচনে চূড়ান্ত পর্যায়ে প্রার্থী নির্বাচন বৈঠকে বসেছিলেন জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ত্ব। উপস্থিত ছিলেন জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি তথা মন্ত্রী তপন দাসগুপ্ত, জেলার দুই কার্যকরী সভাপতি মন্ত্রী অসীমা পাত্র প্রবীর ঘোষাল এবং জেলার অন্যান্য বিধায়ক গণ। বৈঠক চলাকালীন লজের বাইরে থেকে দলীয়  প্রতিক বিলিকে কেন্দ্র করে দুর্নীতি নিয়ে মুহু মুহু অসিত মজুমদার মুর্দাবাদ স্লোগান দেওয়া হতে থাকে। অভিযোগ মিথ্যে দাবি বিধায়ক অসিত মজুদারের। তিনি বলছেন যারা এসমস্ত কথা বলছে তারা সরাসরি দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত হয়ে পড়েছিল। দলের কাছে ওদের বিরুদ্ধে একাধিক আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। তাই দলীয় ভাবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে পঞ্চায়েত ভোটের আগে দলীয় কর্মীদের এরকম আচরণে বেশ অস্বস্তিতে পড়েছে জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব।

«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post