Slider

Theme images by kelvinjay. Powered by Blogger.

ভিডিও

রাজ্য

দেশ

খেলা

বিনোদন

আন্তর্জাতিক

ফটো গ্যালারি

» » দিল্লি আই আইটি হেস্টলে হুগলি জেলার ত্রিবেণী বাঙালী ছাত্রের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার

জানা যায় হুগলি জেলার ত্রিবেণী বাসুদেবপুরের সুকান্ত পল্লীর বাসিন্দা নাড়ুগোপাল মালো বযস 21 বছর ।বাবা শ্যামল মালো সবজি বিক্রি করতেন আগে কালীতলা বাজারে। ওনার তিন ছেলে বড় ছেলে গোবিন্দ  এখন বর্তমানে বাবার ব্যাবসা দেখে । মেঝ ও ছোট ছেলে দিল্লি তে থাকতো। মেজো ছেলে বেচুরাম সিভিল ইঞ্জিনিয়ার দিল্লি তে থাকতো।জানা যায়  আর ছোট ছেলে নাড়ু গোপাল বাঘটি রামগোপাল স্কুল থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করার পর প্রেসিডেন্সি বিদ্যালয়ে ভর্তি হন। সেখান থেকে রসায়নে স্নাতক হন,বৃত্তি পেয়ে বছর দেড়েক আগে স্নাতকোত্তরে ভর্তি হন দিল্লি আইআইটিতে এখন তার সেমেস্টার চলছিল এখন দুটি পরীক্ষা বাকি ছিল। বৃহস্পতিবার রাতে বরদার সাথে ফোনে কথা বলে। জানা যায় নাড়ু গোপালের সাইনাসের সমস্যা ছিল ডাক্তার দেখাছিলো। পরীক্ষা হয়ে গেলে বাড়ি আসার কথা ছিল। বৃহষ্পতি বার রাতে হোটেলে নিজেই আত্মহত্যা করে খবর আসে মেজদার কাছে সেখান থেকে ত্রিবেণী বাড়িতে খবর দিলে গতকাল রাত পর্যন্ত বাবা মা কে কিছু জানানো হয়নি। খবর পেয়ে দাদা এবং কয়েকজন মিলে দিল্লি র উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। আজ বেলার দিকে  কফিনে করে  তার মৃতদেহ আসলে শেষ বারের মত একবার নাড়ু গোপাল কে দেখতে ছুটে আসেন এলাকার সমস্ত মানুষ। দেখতে এসে কান্নাই ভেঙে পড়েন সকলে ।গোটা এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে আসে। এই ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দারা হতবাক খুব ভালো ওরা সবাই কি কারনে ঘটলো কিছুই জানি না চাই সঠিক তদন্ত হোক। বাড়ির পরিবারের লোকজন জানে না কি কারনে নাড়ু গোপাল এরকম করলো।বেশ কিছু খন মৃত দেহ রেখে পরে ত্রিবেণী শশান ঘাটে নিয়ে যায়।দিল্লি আই আইটি হেস্টলে হুগলি জেলার ত্রিবেণী  বাঙালী ছাত্রের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার ।জানা যায় হুগলি জেলার ত্রিবেণী বাসুদেবপুরের সুকান্ত পল্লীর বাসিন্দা নাড়ুগোপাল মালো বযস 21 বছর ।বাবা শ্যামল মালো সবজি বিক্রি করতেন আগে কালীতলা বাজারে। ওনার তিন ছেলে বড় ছেলে গোবিন্দ  এখন বর্তমানে বাবার ব্যাবসা দেখে । মেঝ ও ছোট ছেলে দিল্লি তে থাকতো। মেজো ছেলে বেচুরাম সিভিল ইঞ্জিনিয়ার দিল্লি তে থাকতো।জানা যায়  আর ছোট ছেলে নাড়ু গোপাল বাঘটি রামগোপাল স্কুল থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করার পর প্রেসিডেন্সি বিদ্যালয়ে ভর্তি হন। সেখান থেকে রসায়নে স্নাতক হন,বৃত্তি পেয়ে বছর দেড়েক আগে স্নাতকোত্তরে ভর্তি হন দিল্লি আইআইটিতে এখন তার সেমেস্টার চলছিল এখন দুটি পরীক্ষা বাকি ছিল। বৃহস্পতিবার রাতে বরদার সাথে ফোনে কথা বলে। জানা যায় নাড়ু গোপালের সাইনাসের সমস্যা ছিল ডাক্তার দেখাছিলো। পরীক্ষা হয়ে গেলে বাড়ি আসার কথা ছিল। বৃহষ্পতি বার রাতে হোটেলে নিজেই আত্মহত্যা করে খবর আসে মেজদার কাছে সেখান থেকে ত্রিবেণী বাড়িতে খবর দিলে গতকাল রাত পর্যন্ত বাবা মা কে কিছু জানানো হয়নি। খবর পেয়ে দাদা এবং কয়েকজন মিলে দিল্লি র উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। আজ বেলার দিকে  কফিনে করে  তার মৃতদেহ আসলে শেষ বারের মত একবার নাড়ু গোপাল কে দেখতে ছুটে আসেন এলাকার সমস্ত মানুষ। দেখতে এসে কান্নাই ভেঙে পড়েন সকলে ।গোটা এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে আসে। এই ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দারা হতবাক খুব ভালো ওরা সবাই কি কারনে ঘটলো কিছুই জানি না চাই সঠিক তদন্ত হোক। বাড়ির পরিবারের লোকজন জানে না কি কারনে নাড়ু গোপাল এরকম করলো।বেশ কিছু খন মৃত দেহ রেখে পরে ত্রিবেণী শশান ঘাটে নিয়ে যায়।

«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post