Slider

Theme images by kelvinjay. Powered by Blogger.

ভিডিও

রাজ্য

দেশ

খেলা

বিনোদন

আন্তর্জাতিক

ফটো গ্যালারি

» » » তারাপীঠে অনেক পাগলই যায় 'নাম না করে বিজেপি নেতাদের কটাক্ষ -অনুব্রত মণ্ডল

প্রদীপ সাঁতরা.... -বীরভূমের তারাপীঠে অনেক পাগলই যায় 'নাম না করে বিজেপিকে  কটাক্ষ করলেন বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। মঙ্গলবার তারকেশ্বর মন্দিরের পূজা দিতে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এই মন্তব্য করেন। মঙ্গলবার দুপুর বারোটা নাগাদ তারকেশ্বর টুরিস্ট লজে আসেন বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। সেখান থেকে পায়ে হেঁটে তারকেশ্বর মন্দিরের দুধ পুকুরে মাথায় জল দিয়ে মন্দিরের ভেতরে প্রবেশ করে পুজো দেন তিনি। পুজো দিয়ে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন "তারকেশ্বর মন্দির এ আসার কারণ হলো আমার স্ত্রী  বিয়ের আগে নয় বার তারকেশ্বর মন্দির এসেছিল । বারোবার তারকেশ্বর মন্দির আসার ইচ্ছা ছিল । শারীরিক অসুস্থতার কারণে উনি আসতে পারেননি তাই মন্দিরে পুজো দিয়ে স্ত্রীর সুস্থতা কামনা করে জানালাম আমার মেয়ের যেন একটা ভালো জায়গায় বিয়ে হয়, বীরভূম সহ পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস যেন পঞ্চায়েত নির্বাচনে জয়লাভ করে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শরীর-স্বাস্থ্য যেন ভালো থাকে। রামনবমী প্রসঙ্গে তিনি বলেন রাম কোনদিন বলেনি যে অস্ত্র নিয়ে মিছিল কর। আমার দাদু তার দাদু তার দাদু রামের জন্ম কবে হয়েছে কেউ জানিনা। ইতিহাসে পড়েছি ছোট থেকেই জানি রাম আর নারায়ন একই দেবতা। বিজেপি একটা অশান্তি সৃষ্টি করছে। ঈশ্বর ক্ষমা করবে না। বীরভূমে কোথাও অস্ত্র নিয়ে মিছিল হয়নি। মহরমের সময় আমি তাদের অনুরোধ করেছিলাম আমার কথামত মহরমেও অস্ত্র নিয়ে কোথাও মিছিল হয়নি। তারকেশ্বর মন্দিরের যুগ যুগ ধরে মহাদেবের পুজো হয়। মহাদেবের প্রচার মহাদেব নিজেই করেছে অন্য কেউ করেনি।" সাংবাদিকরা অনুব্রত অনুব্রত বাবুকে বলেন বীরভূমে বিজেপির অনেক নেতা যাচ্ছেন তা দেখে তৃণমূলের কোনো অসুবিধা হবে ? তিনি বলেন "৫১ পীঠের একটা পিঠ বীরভূমের তারাপীঠ। অনেক খেপাপাগল এখানে যায় সেদিকে নজর দেওয়ার কিছু নেই। পঞ্চায়েত ভোটে সমগ্র পশ্চিমবঙ্গ সহ বীরভূম   তৃণমূল কংগ্রেস খুব ভালো ফলাফল করবে । বিরোধীদের চিহ্নমাত্র থাকবে না। বিজেপি বলেছিল আচ্ছে দিন আয়ে গা ।  এসেছে আচ্ছে দিন ?  কালো দিন এসেছে। তারকেশ্বর মন্দিরে পুজো দিয়ে তিনি বীরভূমের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। চৈত্র মাসে তারকেশ্বরে গাজন মেলার ভিড়ের মধ্যেও বীরভূমের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের নিরাপত্তার জন্য প্রশাসনিক তৎপরতা ছিল চোখে পড়ার মতো।

«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post