Slider

Theme images by kelvinjay. Powered by Blogger.

ভিডিও

রাজ্য

দেশ

খেলা

বিনোদন

আন্তর্জাতিক

ফটো গ্যালারি

» » বৈদ্যবাটি পুরসভার দেড়শো বছরে পদার্পণ.


প্রদীপ সাঁতরা -দেড়শো বছরে পদার্পণ করল হুগলির বৈদ্যবাটি পুরসভা। শনিবার সত্যজিৎ রায় নামাঙ্কিত পৌর ভবনের সভাকক্ষে পুরপ্রধান অরিন্দম গুঁইন সাংবাদিক সম্মেলন করে দেড়শ বছর পূর্তির কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
১৮৬৯ সালের ১ লা এপ্রিল বৈদ্যবাটি পুরসভার পথ চলা শুরু।(১) চাতরা (২) শেওড়াফুলি (৩) বৈদ্যবাটি (৪) চাঁপদানী এই চারটি ওয়ার্ড নিয়ে পৌরসভা গঠিত হয়।   প্রথম পৌরপ্রধান ছিলেন শ্রী এ,এস,ক্র‍্যাব ।১৮৮৭ সাল পর্যন্ত তিনি পৌরসভা দায়িত্ব সামলান। পৌরসভা গঠনের প্রথম পর্যায়ে পৌর প্রতিনিধিদের নির্বাচনের ব্যবস্থা ছিল না। মফস্বলের পৌরসভা গুলির মধ্যে শ্রীরামপুর পৌরসভা  ১৮৭৩ সালে প্রতিনিধি নির্বাচনের ক্ষমতা প্রথম লাভ করে। পরবর্তী পর্যায়ে বৈদ্যবাটী পৌরসভা নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু হয়। বৈদ্যবাটি পুরসভার প্রথম নির্বাচিত পুরপ্রধান ছিলেন চন্দ্র নাথ মুখোপাধ্যায়। বৈদ্যবাটি পুরসভার উল্লেখযোগ্য ঘটনার মধ্যে হলো, ১৯৪০ সালে গান্ধীবাদী বিপ্লবী নৃপেন্দ্র চন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় পৌরসভার পুরপ্রধানের দায়িত্বে আসেন। তিনি প্রায় দু বছর দায়িত্ব পালন করেন কিন্তু মহাত্মা গান্ধীকে কারারুদ্ধ করা হলে ব্রিটিশ সরকারের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে তিনি পদত্যাগ করেন। বর্তমান পুরপ্রধান অরিন্দম গুঁইন সাংবাদিকদের জানান"দেড়শ বছর পূর্তিতে আমরা 'প্লাস্টিক বর্জিত এলাকা' ঘোষণা করবো আমাদের এলাকাকে। রবিবার সকালে নওঁগা তেমাথা থেকে শুরু করে বৈদ্যবাটি জোড়া অশ্বথ্বতলা পর্যন্ত এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়েছে। পৌর এলাকার তেইশটি ওয়ার্ডের সমস্ত স্তরের মানুষ এই শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করবে। সারা বছর বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে দেড়শ বছর পূর্তি অনুষ্ঠান পালন করা হবে। এর মধ্যে থাকছে সবুজায়ন, প্লাস্টিক মুক্ত শহর গড়ার আহ্বান। বৈদ্যবাটি পুরসভার শেওড়াফুলি সবজি বাজার পশ্চিম বঙ্গের অন্যতম একটি সবজি বাজার। এই সমস্ত এলাকায় আগামী দু'মাস প্রচার চালানো হবে  প্লাস্টিক বর্জনের জন্য ।পরবর্তী পর্যায়ে প্লাস্টিক ব্যবহারের ক্ষেত্রে জরিমানা ধার্য করা হবে। এর ফলে শুধু শহর নয়, শহর লাগোয়া গঙ্গা দূষণ থেকে রক্ষা পাবে। এলাকায় কৃতি ক্রীড়াবিদদের সঙ্গে নিয়ে একটি ফুটবল একাডেমি তৈরি করার চেষ্টা চলছে। শিশু ও প্রবীণদের জন্য নতুন কিছু করার চিন্তা-ভাবনা নেওয়া হচ্ছে। ১৭০ টি স্বনির্ভর গোষ্ঠী তাদের নিজ নিজ কাজের দ্বারা স্বনির্ভর হয়েছে। অনলাইনের মাধ্যমে পৌর কর জমা দেয়ার ব্যবস্থাও  পরীক্ষামুলকভাবে শুরু হয়েছে। পৌর কর জমা দিলে প্রত্যেক শহরবাসীকে একটি করে চটের ব্যাগ দেওয়া হবে এবং সচেতন করা হবে প্লাস্টিক বর্জন করার জন্য।হাউস ফর অল এর অধীনে ৪০৩ টি বাড়ির মধ্যে ২৭৫ টি বাড়ি তৈরির কাজ সম্পন্ন হয়েছে। তাদের মধ্যে কিছু মানুষকে রবিবার আনুষ্ঠানিকভাবে বাড়ির চাবি তাদের হাতে তুলে দেওয়া হবে। ঐতিহ্যপূর্ণ বৈদ্যবাটি পুরসভার দায়িত্ব পেয়ে এবং দেড়শ বছর পূর্তির সময় আমি থাকতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি। আগামী দিন আপনারা এবং এলাকাযর সকলেই পুরসভাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সহযোগিতা করবেন এটাই কামনা করি।" সত্যজিৎ রায় নামাঙ্কিত পৌর ভবনটিকে সত্যজিৎ রায়ের চলচ্চিত্রের কিছু মডেলের মাধ্যমে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে। দেড়শ বছর পূর্তি উপলক্ষে বৈদ্যবাটি পুরো এলাকার বাসিন্দাদের উৎসাহ চোখে পড়ার মতো।

«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post